জাহাঙ্গীর আকন্দ:
খান এক্সক্লুসিভ জেন্টস পার্লার নামে সেলুন ব্যবসার আড়ালে গাজীপুর মহানগর ২৫ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী আল আমিন খানের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে।
সম্প্রতি স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে এমনটাই অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
আল আমিন খান ২৫নং ওয়ার্ড এলাকার বাসিন্দা নুরুল ইসলামের বড় ছেলে।
সরেজমিনে ঘুরে জানা যায়, যুবলীগ নেতা পরিচয় দানকারী আল আমিন একসময় ছিলেন ভবঘুরে।
বছর পাঁচেক আগে হঠাৎ করে জড়িয়ে পড়েন মাদক কারবারে। এরপর থেকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। বর্তমানে তিনি ভুরুলিয়া এলাকায় মাদকের একটি বিশাল বাহিনী তৈরি করেছেন।
দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে প্রকাশ্যে ফেনসিডিলের ব্যবসা করে একাধিক মামলায় জেল খাটার পরও ছাড়তে পারেনি এই লাভজনক মাদক ব্যবসা।
এলাকায় গড়ে তুলেন ফেনসিডিলের বিশাল সম্রাজ্য। জেলার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ফেনসিডিল এনে পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করে ৫ বছরের মাথায় সে এখন আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছেন।
মাদক ব্যবসা করে লাখ লাখ টাকার মালিক বনে যাওয়া আল আমিন স্থানীয় প্রশাসনের কাছে মাদক ব্যবসায়ীদের নামের তালিকায় রয়েচেন অন্যতম স্থানে।
তাছাড়া মাদক ব্যবসা আড়াল করতে ভুরুলিয়া এলাকায় খুলেছেন “খান এক্সক্লুসিভ জেন্টস পার্লার” নামে একটি সেলুন।
এলাকাবাসী জানান, আল আমিনকে ৫ বছর আগেও দেখেছি বেকার। বর্তমানে “খান এক্সক্লুসিভ জেন্টস পার্লার” ছাড়া দৃশ্যমান কোনো ব্যবসা নেই। তবে হঠাৎ তার এত পরিবর্তন লক্ষণীয়। প্রতিদিনই দামি পোশাক, দামি মোবাইল, দামি হাত ঘরি আর চলাফেরা সত্যি অবাক করার মতো।
সে বর্তমানে গাজীপুর মহানগর ২৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী। চলাফেরা করেন বিভিন্ন ভিআইপিদের সাথে। ব্যবসায় টিকে থাকতে নিজের এলাকা ও জেলা শহরে গড়ে তুলেছেন সিন্ডিকেট। সিন্ডিকেটকে টিকিয়ে রাখতে কতিপয় প্রভাবশালী ভিআইপিদের প্রতিদিন ফেনসিডিল সরবরাহ করে আল আমিন ও তার লোকজন।
এবিষয়ে কথা হলে আল আমিন খান জানান, যেহেতু রাজনীতি করে প্রতিপক্ষ আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করতে অনেক গুজব ছড়াতে পারে।
তাছড়া রাজনৈতিক কারনে মামলা হতেই পারে। আমি মাসুদ রানা এরশাদের অনুসারী। আমি দেড় বছর যাবৎ জেন্টস পার্লার ( সেলুন) ব্যবসার সাথে জড়িত আছি।
আমি মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত নই এবং আমার বিরুদ্ধে কোন মাদক মামলা নেই।