নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর বনানী থানার অন্তর্গত কড়াইল স্যাটেলাইট বস্তি এলাকার নানা অপকর্মের হোতা এ আর মোস্তফা ও মাদক সম্রাজ্ঞী রেশমী বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্যাটেলাইট বস্তি এলাকার কয়েকজন বাসিন্দারা বলেছেন,এ আর মোস্তফার বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারি অর্থ আত্মসাতসহ অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে।তিনি আগের তুলনায় আরো বেপরোয়া হয়ে নানা রকম অপরাধ মূলক কাজকর্ম আড়ালে থেকে করে যাচ্ছে।বস্তির এক অশ্লীল কর্মকাণ্ডে লিপ্ত নারী সরদারনী রেশমীর সাথে মিলেমিশে এসব অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।কড়াইল বস্তিবাসীসহ অনেকের কাছেই জগন্নতম অশ্লীল কর্মযজ্ঞের অন্যতম পরিচিত নাম হচ্ছে রেশমী।তার অসামাজিক কার্যকলাপের ফাঁদে পড়ে ইতিপূর্বে অনেক নারী তার স্বামীকে হারানোর উপক্রমে পড়ে ছিলো ।এই মাদক সম্রাজ্ঞী পতিতা সরর্দারনীর কালো ছোবলের বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জন ব্যক্তি বলেন, মাঝখানে কিছু দিন নিস্ক্রিয় হয়ে এখন নানাবিধ অপকর্মের হোতা ইয়ার মোস্তফার সাথে হয়তো বিয়ে নামক নাটক সাজিয়ে আবারো বেপরোয়া কর্মকাণ্ড শুরু করেছে।তাদের নানা রকম অপরাধ মূলক কাজগুলো বস্তি এলাকায় শীর্ষ রুপ ধারণ করেছে ।
মাদক সম্রাজ্ঞী খ্যাত রেশমী তার নিয়ন্ত্রিত একটি মাদক সিন্ডিকেট দিয়ে মাদকের অভয়ারণ্য গড়ে তুলেছে। প্রতিনিয়ত তাদের দিয়ে ব্রীজ এলাকায় অবাধে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করছে। অভিযোগ রয়েছে তাদের বসবাসের জায়গায় মাদকের পাশাপাশি প্রতিদিন রাতে জুয়ার আসর বসানো হয় । সন্ধ্যা থেকে শুরু করে তা সারা রাত জুড়ে চলে বলে জানিয়েছেন এক জন বাসিন্দা। প্রশাসনের নজর এড়িয়ে নিরাপদে এসব কর্মকাণ্ড গুলো করতে বাড়ির আশেপাশে বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা।একটি বিশ্বাসযোগ্য সূত্র বলছে মাদক সম্রাজ্ঞী রেশমীর বিরুদ্ধে গত কয়েক মাস আগে মাদক ব্যবসাসহ অসামাজিক কার্যকলাপের সাথে লিপ্ত বিষয়ে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কাছে অভিযোগ করা হলে সেখানে তিনি কথাটি স্বীকার করেন এবং অশ্লীলতা ছেড়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে সামাজিক ভাবে জীবনধারণ করবে বলে অঙ্গীকার করে ।স্যাটেলাইট বস্তি এলাকার একাধিক বয়স্ক নারী পুরুষ মৌখিক ভাবে বলছে তারা আবার যে কর্মকাণ্ড শুরু করেছে তা থেকে আমরা পরিত্রাণ চাই এদের অচিরেই নির্মূল করা হোক তাদের নানাবিধ অসৎ উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য নিত্য নতুন যে ধ্বংস লিলা চালিয়ে যাচ্ছে তাতে আমরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি।এ আর মোস্তফার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলার প্রমাণাদি ও রেশমীর অসামাজিক কার্যকলাপের প্রমাণাদি প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষণ করা আছে।