যাত্রাবাড়ী থানার আওতাধীন বিবিরবাগিচা ৪ নং গেটের একটি পরিবারের গ্যাস,বিদ্যুৎ,পানি ও দলিল আর রেকর্ডে থাকা চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়াল তুলে দেন প্রতিবেশি অন্য একটি পরিবার, দুটি পরিবারের মধ্যে এই নিয়ে দীর্ঘ প্রায় ২১ বছর ধরে বিভিন্ন ঝগড়া-বিবাদ ও হামলা মামলা চলমান ছিল । অবশেষে যাত্রাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাজহারুল ইসলাম কাজল মানবিকতার টানে নিজের চেষ্টায় সামাজিকভাবে সেই সমস্যা সমাধান করে দেন মাত্র একদিনেই । এতে খুশি ভুক্তভোগী ঐ পরিবারসহ উভয় পরিবার।
সরেজমিন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খায়রুল ইসলাম ও প্রতিবেশি নুরুল ইসলামের মধ্যে দীর্ঘ ২১ বছর ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল, এনিয়ে বিভিন্ন সময় হামলা-মামলা এমনকি স্থানীয় পঞ্চায়েত কমিটি সমস্যা সমাধানের চেস্টা করেন। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এনিয়ে দ্বন্দ্ব তীব্র থেকে আরও তীব্রতার আকার ধারণ করলে প্রতিবেশি নুরুল হক খায়রুল ইসলাম @ খায়ের মোল্লার বাড়ির পানি,গ্যাস, বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেয় এবং চলাচলের রেকর্ডীয় চলমান রাস্তার উপর ইটা-বালুর মজবুত দেয়াল তুলে রাস্তাটিও বন্ধ করে দেন। এনিয়ে বেসরকারি টেলিভিশন একাত্তর টিভিতে সংবাদ প্রচারিত হলে বিষয়টি নজরে আসে যাত্রাবাড়ি থানার ওসি মাজহারুল ইসলামের।
তিনি সামাজিকভাবে উভয় পরিবারকে ডেকে উভয় পক্ষের মুখে সম্পূর্ণ ঘটনা শুনে এবং নিজে স্ব-শরীরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাৎক্ষিনভাবে বিচ্ছিন্ন থাকা বিদ্যুৎ,গ্যাস ও পানির সংযোগের ব্যবস্থা করে দেন এবং রাস্তার উপরে নির্মিত দেয়ালটিও ভেঙে সরিয়ে দেন । এসময় যাত্রাবাড়ি থানার ওসি মাজহারুল ইসলািমের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।
ভোক্তভোগী খায়রুল ইসলাম @ খায়ের মোল্লা বলেন, আমাদের এই সমস্যা দীর্ঘ ২১ বছর ধরে চলে আসছে, পঞ্চায়েত কমিটিসহ বিভিন্নভাবে সমাধানের চেষ্টা করেছি, কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়। অবশেষে যাত্রাবাড়ি থানার ওসি মাজহার স্যারের হস্তক্ষেপে সমাধান হয়েছে। আমরা তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
এ বিষয়ে যাত্রাবাড়ি থানার (ওসি) মাজহারুল ইসলাম বলেন, খায়রুল ইসলামের প্রতিবেশি নুরুল ইসলামের মধ্যে দীর্ঘ ২১ বছর ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল, এনিয়ে বিভিন্ন সময় হামলা-মামলা এমনকি স্থানীয় পঞ্চায়েত কমিটি সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেন। কিন্তু সব চেষ্টাই ব্যর্থ হয়। এনিয়ে দ্বন্দ্ব তীব্র আকার ধারণ করলে প্রতিবেশি নুরুল ইসলাম খায়ের মোল্লার বাড়ির পানি,গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠে। এনিয়ে একাত্তর টিভিতে সংবাদ প্রচারিত হলে আমার নজরে আসে, পরবর্তীতে আমি তাদের উভয় পক্ষকে ডেকে সম্পূর্ণ ঘটনা শুনে উভয়কে বুঝিয়ে সামাজিকভাবে সুষ্ঠু সমাধান করে দেই।






