নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
শুরু হলো সাভারের দখল হয়ে যাওয়া বামনি খাল উদ্ধার অভিযান। স্থানীয় জনগণ ও কৃষকের বহুদিনের দাবি ছিল বামনি খাল উদ্ধার। সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম ও উপজেলা চেয়ারম্যান জনাব মঞ্জরুল আলম রাজীবের সর্বাধিক চেষ্টায় বহু বছরের দখল হওয়া বামনি খাল উদ্ধার অভিযানে স্থানীয় জনগণ তাদেরকে ধন্যবাদ জানান
আলমনগরের সুগন্ধা প্রোপার্টি ডেভেলপমেন্ট লিঃ এর স্বত্বাধিকারী মরহুম আলম চাঁন জীবিত অবস্থায় জনগণের জমি ক্রয় করে বালু দিয়ে ভরাটের মাধ্যমে শুরু করেন প্লট বিক্রির রমরমা ব্যবসা । নগদ অর্থ ও অধিক লাভের আসায় নিজেদের জমির সাথে অবস্থিত তেতুলঝোড়া ইউনিয়নের চান্দুলিয়া মৌজার বামনি খালের পুরো অংশ বালু দিয়ে ভরাট করে নিজের করে নেন।
এমনকি ২৬ শে ফেব্রুয়ারী ২০২২ আলমনগরের সুগন্ধা প্রোপার্টি ডেভেলপমেন্ট লিঃ এর স্বত্বাধিকারী মরহুম আলম চাঁনের ছেলে জাহাঙ্গীর মিয়া খাল উদ্ধারের নামে ভাড়াটে লোকজন দিয়ে মিথ্যা মানববন্ধন করেন । দিনে মিথ্যা মানববন্ধন করিয়ে রাতের আঁধারে বালু দিয়ে বামনি খাল ভরাট করে নেয় জাহাঙ্গীর মিয়া। পূণরায় খাল দখলের বিষয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রচার হলে আংশিক খাল খনন করে দেয়। বামনি খাল দখলকারীর হাত থেকে উদ্ধার করতে ৫ ই মার্চ ২০২২ শনিবার বিকেলে অভিযান পরিচালনা করেন সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও অত্র পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মঞ্জরুল আলম রাজীব,বনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম, আলমনগরের সুগন্ধা প্রোপার্টি ডেভেলপমেন্ট লিঃ এর স্বত্বাধিকারী মরহুম আলম চাঁনের ছেলে জাহাঙ্গীর মিয়া,যমযম হাউজিং এর স্বত্বাধিকারী নুর মোহাম্মদ, সাভার উপজেলা ছাত্র লীগের সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক, বনগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরিফ আহমেদ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। জাহাঙ্গীর মিয়া, চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম, নুর মোহাম্মদকে একত্রিত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম বলেন সরকারি বামনি খাল উদ্ধার কাজে আপনারা সকলেই সহযোগিতা করবেন। খাল দখল করে কেউ ভরাট করতে পারবেন না। প্রয়োজনে খালের উপর ব্রীজ নির্মাণ করে নিবেন। খাল উদ্ধার কাজে কেউ বাধা দিলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।