1. admin@dailyprohoralo.com : admin : H M ABDUR RAZZAQUE RAZ
  2. saifmasrur@gmail.com : saif masrur : saif masrur
"ভ্যাক্সিনের কোন অভাব নেই,ভবিষ্যতেও হবে না" - স্বাস্থ্যমন্ত্রী - দৈনিক প্রহর আলো
সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ১০:১৪ পূর্বাহ্ন

“ভ্যাক্সিনের কোন অভাব নেই,ভবিষ্যতেও হবে না” – স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৮৪২ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক :

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক এমপি বলেছেন,”প্রতিটি ভ্যাক্সিন কেন্দ্রের স্থানীয় লোকের হার ও চাহিদা অনুযায়ী প্রথম ডোজের ভ্যাক্সিন সরবরাহ করা হয়েছে।কোন কোন কেন্দ্রে এই চাহিদা ও রেজিষ্ট্রেশনের হার তুলনামূলক অনেক বেশি হয়ে গেছে।একারনে কিছু কেন্দ্রে ভ্যাক্সিন স্বল্প সময়ের জন্য কমে গেলেও সময় মতো সেখানে চাহিদা মাফিক ভ্যাক্সিন পাঠিয়ে দেয়া হবে।আর,ভ্যাক্সিন গ্রহনে ইচ্ছুক যেকোন ব্যক্তি সুরক্ষা এপে রেজিষ্ট্রেশন করলে তিনি দুদিন আগে পরে ভ্যাক্সিন অবশ্যই পাবেন।কোন কেন্দ্রে রেজিষ্ট্রেশন করা ব্যক্তির সংখ্যা বেশি সংখ্যক হলে সেক্ষেত্রে ভ্যক্সিন গ্রহনের তারিখ কিছুটা পেছনে চলে গেলেও ভ্যাক্সিন পেতে কোন সমস্যা হবে না।কারন,শুরুতেই দেশে ৭০ লক্ষ ভ্যাক্সিন আনা হয়েছে।আবার এর মধ্যেই এই ২২ ফেব্রুয়ারী দেশে আরো ২৫ লক্ষ ভ্যাক্সিন আনা হচ্ছে।এভাবে প্রতি মাসেই নিয়মিতভাবে ভ্যাক্সিন আনা হবে।ফলে ভ্যাক্সিনের অভাব কখনই হবে না এবং দেশের সকলেই ভ্যাক্সিন পাবেন।পৃথিবীর অনেক দেশ এখন পর্যন্ত জাতীয় পর্যায়ে টিকাদান কর্মসূচি শুরুই করতে পারেনি। আমরা শুরু করেছি এবং ইতোমধ্যেই ১৩ লাখ মানুষ টিকা নিয়েছেন ও প্রায় ২৫ লাখ মানুষ রেজিষ্ট্রেশন করেছেন। আপনারা সবাই নিশ্চিন্তে টিকা নিন,দেশে ভ্যাকসিনের কোন অভাব নেই ভবিষ্যতেও হবে না।”

বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা ডেন্টাল কলেজে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল ও মুজিব কর্নারের উদ্বোধন এবং অডিটোরিয়ামের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক এমপি।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে গত সাত বছর কাজ করার অভীজ্ঞতা তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো বলেন,”গত সাত বছর ধরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী,মন্ত্রী হিসেবে কাজ করছি।দেখেছি জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বাস্থ্যসেবা কোথা থেকে কোথায় এগিয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি ২০ টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অনুমোদন দিয়েছেন।৪ টি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে।প্রতিটি জেলায় ১০ বেডের আইসিইউ বেড,১০ বেডের ডায়ালাইসিস সেন্টার হচ্ছে।৮ বিভাগে ৮ টি ১৫ তলা বিশিষ্ট ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মানের কাজ শুরু হচ্ছে আগামী মাস থেকেই।অন্যান্য আরো অনেক স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠার কাজগুলো চলমান রয়েছে।এগুলি বাস্তবায়ন হলে স্বাস্থ্যসেবা নিতে মানুষকে আর বিদেশে যেতে হবেনা,গ্রামের মানুষকে আর কষ্ট করে ঢাকায় আসতে হবে না।নিজ এলাকাতেই চিকিৎসা সেবা নিবে মানুষ।”

করোনাকালিন সরকার বিরোধী ব্যক্তিদের নানা সমালোচনার জবাব দিতে গিয়ে এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন,”আমি যখন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছি, তখন শুরু হয়েছিল ডেঙ্গু বিপর্যয়। আর এখন পেলাম করোনা মহামারি। আমরা সাফল্যের সঙ্গে করোনা মহামারি মোকাবিলা করছি। অনেকে ঘরে বসে নিরাপদে থেকে সমালোচনা করেছেন, কিন্তু অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াননি। আমরা মানুষের সেবা দিয়ে গেছি। অন্য অনেক দেশের অবস্থা খুবই নাজুক। বাংলাদেশে প্রত্যেকে চিকিৎসা পেয়েছে হাসপাতালে।শুরুতে যখন করোনাভাইরাসের ব্যবস্থাপনাই কেউ জানতো না, সেখানে অব্যবস্থাপনা কিসের। তবুও আমরা মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছি।”

জাহিদ মালেক আরো বলেন, আজকে আমাদের সংক্রমণের হার অনেক কম। সুস্থতার হার প্রায় ৯০ শতাংশ। ডাক্তার নার্সরা জীবন দিলো, কিন্তু সমালোচনা থামছে না। আমাদের প্রশংসা করতে হবে, প্রশংসা করলে চিকিৎসক,নার্স,টেকনোলজিস্টরা আরো বেশি অনুপ্রাণিত হবে।

এসময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন,টিকার দ্বিতীয় ডোজ চার সপ্তাহ পরে নেয়ার কথা ছিল, এখন তা আট সপ্তাহ করা হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুসারে এই সিদ্ধান্ত আমরা নিয়েছি। অক্সফোর্ডের এই ভ্যাকসিন প্রথম ডোজ দেয়ার পর দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার জন্য তিন মাস সময় পাবেন। যত দেরিতে নিবেন, শরীরে তত বেশি অ্যান্টিবডি তৈরি হবে এবং ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা অনেক বেশি হবে। এই জন্য আমরা দ্বিতীয় ডোজের সময় নির্ধারণ চার সপ্তাহের বদল আট সপ্তাহ করেছি।

উল্লেখ্য,এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢাকা ডেন্টাল হাসপাতালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর মুর‍্যাল উন্মোচন সহ অডিটোরিয়ামের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন এবং মুজিব কর্ণার উদবোধন করেন।

ঢাকা ডেন্টাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. হুমায়ুন কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) অধ্যাপক ডা. এম. ইকবাল আর্সলান,মহাসচিব অধ্যাপক এম এ আজিজ প্রমুখ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Categories

Theme Customized BY WooHostBD