সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক:
বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে জাসাসের আহ্বায়ক ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, জনপ্রিয় চিত্রনায়ক হেলাল খান। তাকে (টেকনোক্র্যাট) সাংস্কৃতিক মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগের দাবিতে দেশের সাংস্কৃতিক কর্মী, শিল্পী ও সংশ্লিষ্ট মহলে জোরালো দাবি উঠেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সাংস্কৃতিক জগতে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং শিল্প-সাহিত্য ও চলচ্চিত্রে অবদানের কারণে তিনি এই দায়িত্ব পালনে যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখতে পারবেন।
সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রতিনিধিরা বলছেন, দেশের সংস্কৃতি আজ নানা চ্যালেঞ্জের মুখে—গ্লোবাল সংস্কৃতির প্রভাব, দেশীয় ঐতিহ্যের অবক্ষয়, চলচ্চিত্র ও মঞ্চশিল্পের সংকট, এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সাংস্কৃতিক চর্চার ঘাটতি—এসব সমস্যার সমাধানে একজন বাস্তব অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নেতৃত্ব জরুরি। তাদের মতে, হেলাল খান শিল্পী সমাজের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত থাকায় সাংস্কৃতিক বাস্তবতা গভীরভাবে উপলব্ধি করেন।
চলচ্চিত্র জগতে অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে শিল্পীদের অধিকার, সৃজনশীল পরিবেশ এবং দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশে কাজ করে আসছেন। সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, তার নেতৃত্বে সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলো আরও গতিশীল হবে এবং শিল্পীরা পাবেন নীতিগত সহায়তা।
রাজনৈতিক অঙ্গনেও হেলাল খান একজন গ্রহণযোগ্য ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। তিনি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর আস্থাভাজন হিসেবে দলের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা যায়। ফলে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক—উভয় ক্ষেত্রেই সমন্বিত নেতৃত্ব দিতে পারবেন বলে মনে করছেন তার সমর্থকরা।
সাংস্কৃতিক কর্মীদের মতে, একজন সংস্কৃতিমনা, শিল্পীসত্তাসম্পন্ন এবং সংগঠক হিসেবে দক্ষ ব্যক্তির নেতৃত্বে দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, চলচ্চিত্র শিল্পের পুনর্জাগরণ, লোকসংস্কৃতির বিকাশ এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সংস্কৃতির মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে। তারা বিশ্বাস করেন, সৃজনশীলতা ও দেশীয় মূল্যবোধকে সামনে রেখে সাংস্কৃতিক নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে হেলাল খান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম।
এদিকে, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন ও শিল্পী মহল বলছে, সংস্কৃতিকে জাতীয় উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচনা করে পরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণের এখনই সময়। তাদের প্রত্যাশা—যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক অঙ্গন নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাবে এবং বাংলাদেশের ঐতিহ্য, শিল্প ও সৃজনশীলতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
সংশ্লিষ্ট মহলের দৃঢ় বিশ্বাস, হেলাল খানের মতো অভিজ্ঞ সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নেতৃত্বে এলে দেশের সংস্কৃতি সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে এবং নতুন প্রজন্ম দেশীয় সংস্কৃতির প্রতি আরও আকৃষ্ট হবে।