ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন আসছে ৯ সেপ্টেম্বর।
ভোটের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ক্যাম্পাসে তত বাড়ছে উত্তাপ।
টিএসসি থেকে শুরু করে প্রতিটি হল, শিক্ষার্থীদের আড্ডা থেকে ক্লাসরুম সবখানেই আলোচনায় স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্য থেকে অন্যতম মুস্তাকীম মাহমুদ রাহীম।
তাঁর স্লোগান “নতুন বাংলাদেশের ডাকসু ইশতেহার, বিশ্ব হোক ঢাবির সবার।”
ইতিমধ্যেই ১২ দফা ইশতেহার প্রকাশ করেছেন তিনি, যেখানে গুরুত্ব পেয়েছে আন্তর্জাতিক মানের কারিকুলামের সাথে সামাঞ্জস্য, গবেষণার সুযোগ, বিদেশে উচ্চশিক্ষার পথ সহজ করা এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ।
মুস্তাকীম বললেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে আমি শুধু দেশের ভেতরে সীমাবদ্ধ দেখতে চাই না। আমি চাই, এখানকার শিক্ষার্থীরা যেন বিশ্বের যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য যাওয়া ও প্রতিযোগিতা করতে পারে। এজন্যই Erasmus Mundus, ক্রেডিট ট্রান্সফার, স্কলারশিপ, স্টাডি লোন এসবকে আমার ইশতেহারে স্থান দিয়েছি।”
ভোটের আগে দিনরাত প্রচারণায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তিনি, সমর্থকদের নিয়ে হলে হলে যাচ্ছেন, ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলছেন। হ্যান্ডবিল থেকে শুরু করে অনলাইন ক্যাম্পেইন সবখানেই এখন তাঁর সক্রিয়তা।
তবে মুস্তাকীমদের দৃষ্টিভঙ্গি শুধু নির্বাচনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। নির্বাচিত হোন বা না হোন, তিনি কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন। কারণ, তিনি নিজেই একজন উচ্চশিক্ষা জন্য সাহা্য্যকারী প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা।
“আমার পেশাগত জীবনও শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সঙ্গে যুক্ত,” বলছিলেন মুস্তাকীম।
“নির্বাচনে জিতলে ডাকসুর প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করব, না জিতলেও আমার কাজ চলবেই। আমি চাই ঢাবির শিক্ষার্থীরা বিদেশে পড়াশোনার সব সুযোগ পাক।”
তাঁর ইশতেহারের ভেতরে রয়েছে—
আন্তর্জাতিক মানের কারিকুলাম ও ক্রেডিট ট্রান্সফার,
Erasmus Mundus–এ ঢাবির অন্তর্ভুক্তি,
USA-কানাডায় মাস্টার্স স্টাডি লোন এবং নারী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ স্কলারশিপ,
ঢাবির শিক্ষার্থীদের জন্য সর্ববৃহৎ আন্তর্জাতিক শিক্ষামেলা,
গবেষণায় ফান্ডিং ও ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ সেল,
আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ঢাবির প্রতিনিধিত্ব,
বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য সহায়ক পরিবেশ ও সাংস্কৃতিক একীভবন সহ অন্যান্য প্রতিশ্রুতি।
সবশেষে মুস্তাকীম বললেন, “ডাকসু নির্বাচন শুধু নেতৃত্বের নয়, এটা ভবিষ্যতের পথচিত্র নির্ধারণের সুযোগ। আমি শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।