1. admin@dailyprohoralo.com : admin : H M ABDUR RAZZAQUE RAZ
  2. saifmasrur@gmail.com : saif masrur : saif masrur
"চট্টগ্রাম বন্দরের ‘৫০ কোটি টাকার ভাড়া ফাঁকি দিতে’ নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের নামে ‘চিঠি জাল’ করার অভিযোগ উঠেছে বসুন্ধরা মাল্টি স্টিল ইন্ডাস্ট্রিজের বিরুদ্ধে।" - দৈনিক প্রহর আলো
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৭ অপরাহ্ন

“চট্টগ্রাম বন্দরের ‘৫০ কোটি টাকার ভাড়া ফাঁকি দিতে’ নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের নামে ‘চিঠি জাল’ করার অভিযোগ উঠেছে বসুন্ধরা মাল্টি স্টিল ইন্ডাস্ট্রিজের বিরুদ্ধে।”

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১৬ মে, ২০২৫
  • ৫৬১ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:(সায়ের)

এই শিরোনামে আজ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু আসলেও কি কোন চিঠি জাল করা হয়েছে? এর উত্তর হলো “না”। কোন চিঠিই জাল করা হয়নি, নেহায়েত কোন উপায় না দেখে মন্ত্রণালয় এই জাল চিঠির গল্পটি তৈরি করেছে।

গত ১৩ মে, ২০২৫ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একজন উচ্চপদস্থ আমলা আমাকে ১২ মে’ তে ইস্যু করা সংযুক্ত চিঠিটা পাঠান। তিনি বলেন প্রায় ১০০ কোটি টাকার স্টোররেন্ট/পোর্ট চার্জ এর ৬০% মওকুফ করে বসুন্ধরা গ্রুপের পণ‍্য খালাসের অনুমতি দেয়া হয়েছে। তিনি জানান এই ‘মওকুফ’ প্রক্রিয়ার মধ্যে বেশ বড় রকমের একটা লেনদেন জড়িত এবং এতে সংশ্লিষ্ট রয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এক ব্যক্তির ছেলে এবং কিছু কর্মকর্তা।

আমি সেদিনই চিঠিটি যাচাই করতে চেষ্টা করি, কিন্তু যাচাই প্রক্রিয়াটি কোনোভাবে মন্ত্রণালয়ে ফাঁস হয়ে যায়। আর শুরু হয় এক তুলকালাম কান্ড! দুর্নীতির সাথে জড়িত ব্যক্তিরা উঠে পড়ে লাগেন বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জন্যে। তারা প্রচার করতে শুরু করেন ইস্যুকৃত চিঠিটি ‘জাল’, এবং গতকাল বসুন্ধরা গ্রুপের কর্মকর্তারা এই পণ‍্য খালাস করতে গেলে উল্টো তাদের গ্রেফতার সহ বিশাল এক নাটকের অবতারণা করা হয়।

চিঠিটা আদৌ জাল কিনা, সেটা অনুসন্ধান করতে শুরু করি। মূলত চিঠিটি জাল নাকি কি আসল, সেটার সূত্র এই চিঠির ভেতরেই ছিলো, লক্ষ‍্য করুন চিঠির সূত্রে উল্লেখ করা আছে আরো দুটো চিঠির কথা, আমি ওই চিঠিগুলো খুঁজে বের করি।

দুটো চিঠির অস্তিত্ব আছে, এবং চিঠির অনুলিপিতে যারা স্বাক্ষর করেছেন তাঁরাই সত‍্যতা নিশ্চিত করেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বন্দর কর্তৃপক্ষ জানান এই বিষয়টির ফয়সালা করতে বিগত কয়েকমাস ধরেই বন্দরকে মন্ত্রণালয় হতে বেশ চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছিলো। ৫ জানুয়ারি ২০২৫ এ ইস্যু করা চিঠিটি লক্ষ্য করুন। দেখবেন মন্ত্রণালয় থেকেই তিনদিনের ভেতর মতামত জানাতে চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম‍্যানকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করেন উপসচিব নজরুল ইসলাম আজাদ।

এখনও কি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় বলবে ৬০% মওকুফের চিঠিটি ভুয়া? আর বসুন্ধরা গ্রুপের মতো অতিশয় ধূর্ত একটি শিল্পগোষ্ঠী কোন রকম বোঝাপড়া ছাড়াই একটা জাল চিঠির উপর ভরসা করে তাদের পণ‍্য খালাস করতে প্রস্তুতিসহ বন্দরে পৌঁছে যাবে? জনমনে এমন প্রশ্ন-ই ঘুরপাক খাচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Categories

Theme Customized BY WooHostBD