1. admin@dailyprohoralo.com : admin : H M ABDUR RAZZAQUE RAZ
  2. saifmasrur@gmail.com : saif masrur : saif masrur
কিশোর গ্যাং - দৈনিক প্রহর আলো
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন

কিশোর গ্যাং

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২১ মে, ২০২২
  • ১০২৫ Time View

এন এইচ কে মিঠু :
পারিবারিক অবহেলিত,গুরুত্ব,দ্বায়িত্ব ও পারিবারিক শাসন এবং পারিবারিক শিক্ষা না থাকার ফলে,ক্রমাগত বেড়েই চলছে কিশোর গ্যাং।পরিবার যখন সন্তানের খোজখবর,শাসন এবং সন্তানের ভালো খারাপ বিষয়াদি গুরুত্ব সহকারে না দেখবে,ঠিক তখনই সন্তান ধীরে ধীরে খারাপের দিকে যেতে থাকে।বিশেষ করে বলা যেতে পারে যত্নের অভাব।খাওয়াদাওয়া,গোসল,ঘুম, পয়পরিষ্কার এসব বিষয়ে পরিবারের অযত্নে অবহেলায়,ধীরে ধীরে খারাপের দিকে যেতে শুরু করে,বর্তমান সময়ে কিশোরদের চুলের স্টাইল মারাত্মক ভয়ানক।যা দেখলে শরীরের রক্ত টগবগ করবে।বড়রাও এ ধরনের কিশোরদের দেখলে ভয় পেয়ে যায়।তাদের শুরুটা হয় ধুমপানের মাধ্যমে তারপর মাদক সেবন। পরিবার থেকে মাদকের টাকা না পেলেই শুরু হয় ছোটখাট ছিনতাই চুরি এবং আস্তে আস্তে বড় ধরনের অপরাধের সাথে জরিয়ে পরা।রাস্তাঘাটে তাদের আড্ডা চলে দিনরাত,নারীদের উত্যক্ত করা বাজে কথা বলা এধরনের কাজগুলো তাদের অনেক আনন্দদায়ক এবং নিজেকে বড় ভাবতে থাকে যেটাকে আমরা ইপটিজিং বলে থাকি,উত্যক্ত করা । বিশেষ করে নিম্নশ্রেণির পরিবারগুলোর সন্তানগণই বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জরিয়ে পরছে।দিনমজুর,রিক্সা,ভ্যান চালক,ফুটপাত,বিভিন্ন বাসায় কাজ করা,গার্মেন্স কর্মীর ইত্যাদি সন্তানগণই এসব কর্মে জরিত।এধরণের পরিবারের সন্তান অবহিত হওয়ার কারনে বিভিন্ন খারাপ কাজে লিপ্ত হয়ে যাচ্ছে।সিনিয়র জুনিয়র আধিপত্য নিয়ে এলাকায় সংঘর্ষ,সন্ধ্যা হলেই মাদক সেবন করা। নিরিবিলি স্থানে কাউকে একা পেলে মোবাইল ফোন,টাকা ইত্যাদি ছিনতাইসহ বড় বড় ধরনের অপকর্মের সাথে জরিয়ে পরা।ছোট ছোট অপরাধ থেকে তারা বড় ধরনের অপরাধ করা শুরু করে।এতে যেমন নিজ পরিবারের ক্ষতি করে,এলাকা সমাজের ক্ষতি করে।কিশোর গ্যাং দিন দিন বেড়েই চলছে।কিশোর গ্যাং এখনই নির্মল করা না গেলে ভবিষ্যতে সমাজ ও দেশ হুমকির মুখে।কিশোর গ্যাং নির্মুল করতে গেলে সবচেয়ে বড় ভুমিকা পালন করতে হবে পরিবারের।শুরু থেকেই পরিবারের উচিৎ তার সন্তান কার সাথে মেলামেশা করছে, সেদিকে খেয়াল নজরে রাখা,সন্ধ্যার পরে বাহিরে যেতে না দেয়া,মোবাইল ফোন ব্যবহার থেকে বিরত রাখা,তাকে আদর যত্নে বড় করে তোলা,প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের কিছু দ্বায়িত্ব কর্তব্য রয়েছে,সন্ধ্যার পরে শিশু কিশোর বাহিরে থাকলে তাদের বাসায় পাঠিয়ে দেয়া,খারাপ কাজ করলে সিগারেট,মাদক সেবন করলে সাথে সাথে ধরে তাদের পরিবারের কাছে নিয়ে যাওয়া বুঝিয়ে বলা,বাসার বাড়িওয়ালা যেনো এধরনের পরিবারদের কাছে বাসা ভাড়া না দেয়া হয়।পারিবারিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষ ভুমিকা নেয়া,সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা,প্রশাসনের বিট পুলিশিং উঠান বৈঠক,শিশুদের নিয়ে কাজ করা সামাজিক সংগঠন ও এনজিওদের এগিয়ে আসা,রাজনৈতিক কর্মকান্ডে সাথে সম্পৃক্ত না করা।সকলের মনে রাখা উচিৎ কিশোর গ্যাং যত বৃদ্ধি পাবে এতে করে সকলেরই ক্ষতি হবে।নিম্ন উচ্চ বলে কথা নয়,যে কারোই সন্তান সম্পৃক্ত হয়ে যেতে পারে। কিশোর গ্যাংয়ের কারনে একটি এলাকা,একটি সমাজ, একটি দেশ ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে এখনই সময়, সঠিক কার্যক্রমের মাধ্যমে কিশোর গ্যাং নির্মুল করা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Categories

Theme Customized BY WooHostBD