ডেস্ক সংবাদঃ
গত ইং ৩০/০১/২০২২ তারিখ খুলনা মহানগরীতে সবুজ নামে যুবককে নৃশংসভাবে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয় বলে জানা যায়। উক্ত হত্যাকানন্ডের পর থেকেই র্যাব-৬ ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন, অপরাধীদের শনাক্ত ও জড়িত আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান শুরু করে। উক্ত হত্যাকান্ডটি স্থানীয়ভাবে বেশ চাঞ্চলের সৃষ্টি করে। ভিকটিমের মা মামলার বাদী মোসাঃ হোসনেয়ারা(৫৫) লিখিতভাবে অভিযোগ করে যে, তার ছেলে মিজানুর রহমান সবুজ (৩৪) গত প্রায় ৪ বছর পূর্বে মামলার ৩নং আসামী রেশমা আক্তার (২৩) কে বিবাহ করে। বিবাহের পর থেকে রেশমা আক্তার তার খালাতো ভাই আব্দুল্লাহ সাথে পরকিয়ায় করে। এ নিয়া সবুজ ও রেশমার সংসারে অশান্তির সৃষ্টি হয় এবং ঝগড়াঝাটি চলতে থাকে। গত ইং ২৯/১/২০২২ তারিখ সবুজ ও স্ত্রীর রেশমা আক্তারের মধ্যে ঝগড়া হয়। একই তারিখ রাত অনুমান ০৯.৩০ ঘটিকার সময় ভিকটিম সবুজ মোটরসাইকেল যোগে বাসায় ফেরার পথে খুলনা থানাধীন মিয়াপাড়া নতুন রাস্তা পাইপের মোড় নামক স্থানে পৌছালে আসামী রেশমার পরিকল্পনা মতে প্রধান আসামী সাগর সহ অন্যান্য আসামীরা সবুজের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে আসামী সাগর ধারালো চাকু দ্বারা সবুজের বুকে ও পিঠে কয়েকটি কোপ দিয়ে সবুজকে হত্যা করে আসামীরা চলে যায়। ঘটনার পর থেকে র্যাব-৬ উক্ত মামলার আসামী গ্রেফতারের লক্ষ্যে ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রাখে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মূল আসামী সাগর খাগড়াছড়িতে আত্নগোপনে আছে বলে জানা যায়। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-৬ খুলনার একটি আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে উক্ত মামলার এজাহার নামীয় প্রধান আসামী ১। মোঃ সাগর (২৮), পিতা-মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, সাং-পূর্ব বানিয়াখামার, রাস্তারমাথা, থানা-লবনচড়া, জেলা-খুলনাকে খাগড়াছড়ি গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীকে খুলনা সদর থানায় হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।