নিজস্ব প্রতিবেদক:
ভূমি দখলবাজ চক্রের বিরুদ্ধে থানায় জিডি করে চরম বিপাকে পড়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন একজন জমি মালিক।বাড্ডা থানাধীন বড় বেরাইদ পাটনী পাড়া এলাকার বাসিন্দা শাহ আলম সিদ্দিকী তার নিজ মালিকানাধীন ক্রয়কৃত এস এ দাগ নং ৫৯৩ আর এস দাগ নং ১১৬৪ ডিপি দাগ নং ৩৭০৯ ডিএনসিসি বাড়ি নং ২০ জমিতে স্থাপনা নির্মাণ করে একটিতে রেডচিলি রেষ্টুরেন্ট ও অপরটিতে কর্মফোর্ট কর্পোরেশন নামক প্রতিষ্ঠানে ম্যাট্রেস ব্যবসা করেন। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা জনিত কারণে জরুরী গেট নির্মাণ করা অত্যন্ত প্রয়োজন বিদায়। সেখানে শ্রমিক দিয়ে প্রাচীর নির্মাণ করে গেটের কাজ করছিলেন ।গত ৩০ নভেম্বর ২১ ইং তারিখ বেড়াইদ পূর্ব পাড়ার এমদাদ, বহিরাগত মান্নানসহ একদল চিহ্নিত দখলবাজরা তার জায়গায় দেওয়াল নির্মাণ কাজে বাঁধা দেয় বলে তিনি জানান। তিনি আরো জানান দখলবাজ চক্রের হামলায় নির্মাণ শ্রমিক আবুল কালাম আজাদ গুরুতর আহত হয়ে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তাদের নানা রকম বাঁধা বিপত্তিসহ অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে জমির মালিক বাড্ডা থানায় সুলতান ভূঁইয়া,রোজেন ভূঁইয়া, আসিফ ভূঁইয়া সহ এমদাদ এর বিরুদ্ধে দুটি জিডি করেন। নিরাপত্তার স্বার্থে থানায় জিডি করা যেন কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করেন শাহ আলম সিদ্দিকী । সূত্র জানায় ভূমি গ্রাসকারী চক্রের বিরুদ্ধে জিডি হয়েছে শুনে তারা আরো আক্রশী হয়ে ভূমি মালিককে অব্যাহত ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। তাদের নানাবিধ ভয়ভীতি নাশকতা সৃষ্টির আশঙ্কায় বাড়ি ঘর ছেড়ে লুকিয়ে বেড়াচ্ছে ভূমি মালিক শাহ আলম সহ তার পরিবার।এ বিষয়ে ভূমি মালিকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমার এক যুগ আগে ক্রয় করা ভোগদখল কৃত সম্পত্তিতে কিছু স্বার্থান্বেষী লোক অসৎ স্বার্থের উদ্দেশ্যে আমার জমিতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজে বাঁধা দিচ্ছিলো।আমি আমার নিরাপত্তা ও দখল পাঁয়তারাকারী চক্রদের নজর থেকে পরিত্রাণের জন্য থানায় জিডি করেছি বাড্ডা থানার জিডি নং ২৩৫৭ ও ২৩৫৮ তাং৩০-১১-২১ ইং। আমার নিরাপত্তার জন্য আইনী সহায়তা নেওয়ার পর থেকে তারা আরো বেপরোয়া কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।তারা আমার ক্ষতিসাধনে মরিয়া হয়ে উঠেছে।তারা হন্ন হয়ে আমার অন্যান্য জায়গায় খুঁজে বেড়াচ্ছে, আমাকে না পেয়ে ঘর বাড়ি ভাংচুরের চেষ্টা করছে। ইতিমধ্যে বড় বেরাইদ মৌজা এস এ দাগ নং১৫৮৯, আর এস দাগ নং ২১৭১,২১৭২ ডিপি দাগ নং ৪১৩৭ এর কাতে দশ শতক জায়গা যাহার ডিএনসিসি বাড়ি নং:৫ দলিল নং ২৭৫৯১,তাং১৭/১২/২০০৬ ইং ভূমিটির চতুর পাশে ৭ ফুট উঁচু দেয়াল দিয়ে ঘেরা।পশ্চিম দিকের গেট দিয়ে প্রবেশ করলে ভিতরে ১৬ টি সেমিপাকা ঘর চোখে পড়বে সেখানে আমার নিজ নামে ৩ টি বৈদ্যুতিক মিটার রয়েছে। এছাড়াও এস এ দাগ নং ৫৩২,৫৩৩ আর এস দাগ নং ১২৪৭,১২৪৮, দাগের বাড়ি নং:৩০ যাহার দলিল নং ৩৯৩৩ , তাং২২/ ২/২০০৭ ইং আর এস দাগ নং ১২৮২ যাহার ডিএনসিসি বাড়ি নং ৫১ সেখানে ৪ টি সেমিপাকা দোকান ঘর তার বিপরীত দিকে ১টি বড় টিনের ঘর আছে সেখানে আমার নামে দুটি বাণিজ্যিক বিদ্যুৎতের মিটার রয়েছে। তাছাড়া আমার নিজ নামে প্রতিটি ভূমির এ্যাডভোকেট কমিশন করা আছে।প্রায় এক যুগ ধরে ভূমির উন্নয়ন কর খাজনা খারিজ নামজারি আমার নামে দিচ্ছি।সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের ট্যাক্স বর্তমানে সিটি কর্পোরেশনের ট্যাক্স নিয়মিত পরিশোধ করছি। সংঘবদ্ধ চক্রটি এতোই বেপরোয়া শক্তিশালী যে তাঁরা আমার বড় ধরনের ক্ষতিসাধনের চেষ্টায় উক্ত স্থানগুলোতে খুঁজে এসেছে ও হামতাম করেছে।আমার কষ্টে অর্জিত অর্থে ক্রয়কৃত সম্পত্তি এভাবে ভূমি দখলবাজদের স্বার্থসিদ্ধির কাছে বিলিন হয়ে যাবে এটা কোন ভাবে বরণ করা যায় না। তাদের দখল উপদ্রবের বিরুদ্ধে ঢাকার বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাড্ডা থানার আমলী আদালতে একটি পিটিশন মামলা দায়ের করেছি।যাহার মামলা নং ১৮২/২০২১ , ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা :-১৪৫ বিজ্ঞ আদালত আমার সম্পত্তির বৈধতা দেখে মামলাটি আমলে নিয়ে উক্ত ধারা মতে শান্তিশৃংখলা বজায় রাখতে বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।কিন্তূ রীতিমতো তারা প্রকাশ্যে জনসম্মুখে বলে বেড়াচ্ছে এবার আমাকে অর্থনৈতিকভাবে বড় ধরনের ক্ষতিসহ বিভিন্ন প্রকার হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দিয়ে হেনস্থা করবে।তাদের ক্ষিপ্ত আচরণের বিষয়গুলো বাড্ডা থানাকে অবগত করলে একজন সদস্য এসে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ও হুমকি দাতাদের খোঁজ করলে তারা তৎক্ষণাৎ এলাকা ছেড়ে অন্যর্থে চলে যায়,আবার পুলিশ চলে গেলে শুরু হয় তাদের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড। আমার নির্মিত স্থাপনা ভাংচুর অগ্নিসংযোগ করে আমাকে নিশ্চিন্ন করবে বলে প্রতিবেশীদের সাথে আলোচনা করে।আমি তাদের এহেন কর্মকান্ডে শংকিত অবস্থায় রয়েছি।সমাজের শান্তি শৃংখলা বিনষ্টকারী ভূমিদস্যু দখলবাজদের নির্মূলে পূলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সূ-দৃষ্টি একান্ত প্রয়োজন বলে মনে করেন বসবাসকারিরা। দখলবাজ চক্রের অসৎ স্বার্থের চক্রান্তমূলক বেড়াজাল থেকে রক্ষা পেতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর দপ্তরে অভিযোগ দায়েরের প্রস্তূতি নিচ্ছে ভূক্তভোগী। নানা প্রকার হয়রানি ও ভূমিদস্যুদের গ্রাসের কবল থেকে সম্পত্তি রক্ষার্থে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ হস্তক্ষেপের জন্য আকুল আবেদন জানিয়েছেন ভূক্তভোগী পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।