ডেস্ক সংবাদঃ
১২ টি চোরাই ল্যাপটপ উদ্ধারসহ ০৪ জন পেশাদার সিঁধেল চোরকে গ্রেফতার করেছে গুলশান থানা পুলিশ।
গত ০৯/১১/২০২১ তারিখ সকাল আনুমানিক ০৯.০০ ঘটিকায় ব্র্যাক আইটি সার্ভিসেস লিমিটেড এর ল্যাব খুলে দেখা যায় ল্যাবের পিছনের জানালার গ্রীল ভাঙ্গা এবং ল্যাবের ডেস্ক এবং র্যাকে রাখা বিভিন্ন ব্যান্ডের মোট-৩২(বত্রিশ) টি ল্যাপটপ নেই।
গত ০৮/১১/২০২১ ইং তারিখ ব্র্যাক আইটি সার্ভিসেস লিমিটেড এর সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় একজন অজ্ঞাতনামা চোর ভাঙ্গা গ্রীলের ফাঁক দিয়ে ঢুকে উক্ত প্রতিষ্ঠানের ৩২ টি ল্যাপটপ বাহিরে অবস্থানরত অজ্ঞাতনামা সহযোগী চোরদের দিচ্ছে এবং সহযোগী চোরেরা গ্রীলের ফাঁক দিয়ে ল্যাপটপ গুলো বের করে নিচ্ছে। গুলশান থানায় এই সংক্রান্তে মামলা রুজু করা হলে ডিসি গুলশান জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান পিপিএম (বার) এর নির্দেশনায়, এডিসি গুলশানের তত্ত্বাবধানে ও এসি গুলশানের সহায়তায় গুলশান থানা পুলিশ ঝটিকা অভিযান শুরু করে।
পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ আমিনুল ইসলাম পিপিএম ঘটনাস্থল এবং আশপাশ হতে চুরি সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে ঘটনার সহিত জড়িত আসামীদের সনাক্ত পূর্বক এসআই মোঃ মশিউর রহমান এবং এসআই মোঃ আতিকুর রহমানসহ নিরবচ্ছিন্ন অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানের প্রেক্ষিতে নুরু জামাল , আসলাম জমাদার, রফিকুল ইসলাম ও মোঃ খোকন মল্লিককে ময়মনসিংহ জেলার ইশ্বরগঞ্জ থানা এলাকা এবং গাজীপুর মহানগরের গাছা থানা এলাকা হতে গত ১৪/১১/২০২১ তারিখে গ্রেফতার করা হয়।
উক্ত অভিযানে আসামীদের দখল হতে চোরাই যাওয়া ৩২(বত্রিশ) টি ল্যাপটপ এর মধ্যে হতে ১২টি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়। বাকি ল্যাপটপগুলো উদ্ধারে জোর তৎপরতা চলছে।
এ বিষয়ে গুলশান বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার কার্যালয়ে আজ ১৫/১১/২০২১ বেলা ১২ টায় সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে উপ পুলিশ কমিশনার গুলশান মহোদয় জানান, গ্রেফতারকৃত আসামী নুরু জামালকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সে গত প্রায় ২০ বছর যাবৎ চুরির পেশায় জড়িত। নিখুঁত পরিকল্পনার মাধ্যমে চুরি করে থাকেন বলে জানা যায় এবং বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই ঘটনাস্থলে প্রবেশ এবং দ্রুত পলায়নের সুবিধার্থে উলঙ্গ হয়ে প্রবেশ করে। অত্যন্ত বিশ্বস্ত হওয়ায় গ্রেফতারকৃত নুরু জামাল চুরি করার সময় সহযোগী হিসেবে রফিকুল এবং আসলামকে তার সাথে রাখেন। তারা তিন জনই পেশাদার চোর।
উক্ত আসামীদের ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। বিজ্ঞ আদালত আসামীদের দুইদিনের রিমান্ডও মঞ্জুর করেন।
উল্লেখ্য আসামী আসলাম জমাদার এর বিরুদ্ধে পূর্বেও গাছা থানায় মামলা রুজু হয়েছিল।